Wednesday, March 4, 2015

৭ টি মারাত্তক ভুল যা ই-কমার্স সাইটগুলো করে থাকে ।

বাংলাদেশে ত বটেই এমন কি বিশ্বের অনেক জায়গাতেই লক্ষ্য করা যায় ই কমার্স সাইট মালিকরা মনে করেন তারা তাদের সাইটে শত শত বা হাজার হাজার প্রডাক্ট আপলোড করে দিবে তারপর বন্যার জলের মত ভিজিটর আসতে থাকবে সার্চ ইঞ্জিন থেকে। বাস্তবতা থেকে এই চিন্তা শত কোটি আলোক বর্ষ দূরে অবস্থিত।
আসল ব্যাপার হল এস ই ও (SEO), স্যোসাল মিডিয়া মার্কেটিং, ভিডিও মার্কেটিং না করলে ভিজিটর সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। যদিও বিভিন্ন এড (যেমনঃ ফেসবুক এড বা গুগল এড, তবে আপনি ফেসবুক মার্কেটিং চালাতে পারেন সমসময়ই ) বা বিশেষ প্রমোশন এর মাধ্যমে আপনি ভিজিটর আনতে পারেন। তবে সেগুলোর কার্যকারিতা আপনার এড বা প্রমোশান চলাকালীন পজন্তই ।

মূল্যবান কন্টেন্ট তৈরি করে নিজেকে দক্ষ প্রমাণ করুন সঙ্গে সরাসরি কাজের অফার লুফে নেওয়ার বিস্তারিত টিপস

আপনি একজন ফ্রীলাঞ্চার , ভাল কাজ ও আয় দুটোই করছেন তবু কেন আপনাকে কন্টেন্টের উপর বিশেষভাবে নজর দিতে হবে । তা নিয়ে ই আজ আপনাদের নিয়ে গবেষণা করব । কন্টেন্ট নিয়ে গত পর্বে একটি আর্টিকেল লিখেছিলাম । অনেক সারা পেলাম । শুধু মাত্র সেই একটি কন্টেন্ট আমাকে অনেকগুলো নুতুন কাজের অফার এনে দিল ।
এখন ও ভাবছেন কেন এতও কষ্ট করে মূল্যবান কন্টেন্ট লিখবেন । কেনই বা হাত বাথা করবেন । আপনার দ্বারা এতো লিখা সম্ভব না ।আপনি ভাল লিখতে পারেন না । কিন্তু আপনি কি একটি বার চেষ্টা করেছেন? একবার করে ই দেখেন সফল আপনি হবেনই । অন্তত ১০ টা আর্টিকেল লিখুন তাতেই আশা করি ভাল কন্টেন্ট রাইটার হয়ে যাবেন । অনেকই আমাকে একই প্রশ্ন করেন? আপু কি করে লিখব পারছি না ত । মাথায় যা আছে তাই লিখুন । যা নিয়ে কাজ করছেন তা নিয়েই লিখা শুরু করে দিন । তবু না পারলে কীভাবে লিখবেন তার জন্য আমার আগের আর্টিকেলটি দেখতে পারেন ।এতোক্ষণ বা আগে যদি আমার পূর্বের আর্টিকেলটি একবারও পড়েন তাহলে হয়তো আপনি মোটামোটি কন্টেন্ট তৈরি করতে পারবেন । কনটেন্টটি সুন্দর করে সার্চ ইঞ্জিন এর কাছে উপস্তাপন করতে পারলেই কিন্তু আপনি পেতে পারেন আপনার টার্গেট ভিজিটর এবং সর্বচ্চ ভাল পেজ রেঙ্কিং সঙ্গে মার্কেট প্লেস গুলো তে কাজ পাওয়ার অপার সম্বাভনা ।

পোস্টটি  আপনার জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ  :

•     মূল্যবান কন্টেন্ট কেন লিখা হয়ে থাকে ?
•     কন্টেন্টটি কীভাবে পাঠকের কাছে গুরুত্বপূর্ণ করবেন ?
•     গুগল উপযোগী এবং ভালমানের লেখা যে বিষয়ে উপর নির্ভর করে ?
•     কন্টেন্ট লিখেই আপনি কীভাবে বায়ারের কাছে  সরাসরি কাজের অফার পাবেন ?
•       প্র্যাকটিস  করার অভিনব কৌশল ?

মূল্যবান কন্টেন্ট কেন লিখা হয়ে থাকে ?

জানি আপনি ফেসবুক ভাল ব্যবহার করেন । কত না কিছুই পোস্ট করেন ।কত লাইক পড়ল কে কে কমেন্ট করল । ইস আমার পোস্ট এ এতও কম লাইক । আমাকে অনেক লাইক পেতেই হবে । এরকম অনেকেই চিন্তা করেন। তেমনি একজন আর্টিকেল রাইটারও চায় তার পোস্টটি সর্বত্র ছড়িয়ে দিতে । অনেক ভিউ পেতে চায় সবাই । আপনি একটি কন্টেন্ট লিখলেন কেউ ই পড়ল না তাতে কি আপনি খুশি হবেন । অবশ্যই না। ভাবলাম আপনি সর্বত পোস্টটি শেয়ার করলেন। কিন্তু আপনার কন্টেন্ট টি তেমন ভাল না। নুতুন কিছুই নেই । আপনি হাজার চেষ্টা করুন খুব বেশি হয়তো ভিও হবে না । তাই আপনাকে এমন কিছু মূল্যবান কন্টেন্ট লিখতে হবে তা যেন সবার থেকে আলাদা এবং উনিক হয় । জনপ্রিয় হতে জান সবচেয়ে আগে প্রয়োজন মূল্যবান কন্টেন্ট তৈরি করা ।যতই সুন্দর মুগ্ধকর কন্টেন্ট লিখবেন ততই দর্শক আপনাকে এবং আপনার ওয়েবসাইট কে চিনবে। এছাড়া  গুগলের পেঙ্গুইন আপডেটের পর এসইও করার জন্য কনটেন্ট রাইটিং খুব বেশি গুরুত্বপূর্ন । সেজন্য ভেলুএবেল কন্টেন্ট  রাইটিংয়ের ব্যপারে কিছু টিপস ও থাকছে আমার আজকের এ লেখাটিতে । পুরোটুকু পড়ে নিজেরাও লেখার চেষ্টা করুন, হয়ে উঠুন কনটেন্ট রাইটার ।

কন্টেন্টটি কীভাবে পাঠকের কাছে গুরুত্বপূর্ণ করবেন ?

অবশ্যই এমন কিছু কারণ খুঁজে বের করতে হবে যেন পাঠক নিজেই আপনার কন্টেন্ট পড়তে আগ্রহী হয়ে উঠে । অনেক কিছুই লিখতে পারেন । প্রথমে মেইন পয়েন্ট গুলো সনাক্ত করুন কেন আপনি আর্টিকেল টি লিখবেন , কার জন্য লিখবেন ? ধরলাম আপনি নিজের জন্যই কন্টেন্ট লিখবেন ।এখন হয়তো ভাবছেন নিজে কে নিয়ে কি লিখবো । আমার মধ্যে ফিজিক্স , কেমিস্ট্রি কিছুই নেই । শুনেন জাস্ট আপনাকে একটি কন্টেন্ট ই তো লিখতে হবে কি নিয়ে লিখবেন তার পয়েন্ট গুলো শুধু আমি বলে দিচ্ছি বাকি কাজ আপনাদের ।
  • •    যে কাজ টি বর্তমানে লিখছেন তা নিয়ে লিখতে পারেন
  • •    আপনার সফল হওয়ার সঠিক দিক গুলো তুলে ধরতে পারেন
  • •    আপনি কারো ইন্টারভিউ নিয়ে লিখতে পারেন
  • •    বাস্তব কিছু নিয়ে লি লিখতে পারেন
  • •     এক্সপার্ট কিছু টিপস নিয়ে লিখতে পারেন
  • •    যা নিয়ে কাজ পারেন তা নিয়ে যত কিছু লিখা যায় তাই লিখুন

এখন আসুন জানি পাঠক কেন আপনার কন্টেন্ট টি পড়বে । আপনি নিজেই চিন্তা করুন আমার কন্টেন্ট টি আপনি কে পড়ছেন । কারণ হতে পারে নুতুন কিছু জানার আগ্রহ , শিক্ষার আগ্রহ । কিন্তু প্রথম কয়েক লাইন পড়ে ই পাঠক ভাবছে এ আবার নুতুন কি আগে ই জানতাম । দূর কি আজে বাজে যত তত কথা লিখছে । না আর পরব না । কিন্তু আপনি যদি গুছিয়ে সুন্দর করে লিখেন তবে নুতুন নুতুন টপিক নিয়ে চমৎকার সব বাক্য দিয়ে কন্টেন্ট টি লিখে থাকেন তবে কি না পড়ে পালিয়ে যেতে পারবে । পাঠক কে কখনও বোরিং করবেন না। সবসময় পাঠক যেন মজা পায় । একটানা লিখেই যাবেন আর পাঠক পড়েই যাবে তা কিন্তু কখনই হবে না । কি ভাবে মন জয় করবেন তা আপনারা অনেক ভাল জানেন তবু আমি উদাহরন দিতে পারি । ধরেন আপনি আপনার একজন কে প্রাইভেট পড়ান । তা আপনি কি তাঁকে শুধুই পড়াবেন ।পড়ায় গেলেন পড়ায় গেলেন কিন্তু সে কিছুই বুঝবে না । তাঁকে বোরিং না করে গল্প করুন সুন্দর সুন্দর উদাহরণ দিন  আর পড়ান দেখবেন সে আপনাকে আর ছাড়বেই না । কারণ পড়াগুলো ছন্দে ছন্দে হয়ে গেছে । সবাই কিন্তু তা পারে না। অন্তত আমি মজা করে কথা বলতে পারি না ।আপনারা পারবেন ।  বিষয় তা হয়তো পরিষ্কার হয়েছে । তবু না বুঝলে আমাকে জানাতে পারেন । আমি কিছু দিন হল ক্রিয়েটিভ আইটির প্রোজেক্ট ম্যানেজার এমডি ইকরাম ভাইয়ার একটি পেজ এ কিছু কন্টেন্ট লিখছি আমি তা দেখতে পারেন । তারপরও আমি আছি আপনাদের সেবায় । ও ভুলে গেছিলাম হাস্যরসে লিখতে বলেছি বলে একদম হাস্যরসে ভরায় দিয়েননা । তাইলে বিপদ বারে যাবে আরও । তাই হাসি মজা সব কিছুই মেইনতেন্ত করিয়েন ।
যখন কন্টেন্ট লিখবেন তখন লেখাটিকে  সবসময় চেষ্টা করুন সবার থেকে ভিন্ন কিছু এবং অনেক তথ্যসমৃদ্ধ কিছু উপস্থাপন করার। সেজন্য সেই টপিকসের উপর অনলাইনে থাকা অন্য লেখাগুলো আগে পড়ুন। সেজন্য গুগল, ইয়াহু, ওইকিপিডিয়া সার্চ করুন, তারপর প্রাপ্ত লেখাগুলো প্রথমে পড়ে নিন। এতে যে ব্যপারটি নিয়ে লিখছেন সেটির ব্যপারে আপনারও অনেক জ্ঞান বাড়বে। লেখাতে কাউকে আঘাত করে কিছু লিখবেননা, বিতর্ক সৃষ্টি হয় এমন কিছু না লেখা ভাল, না হলে আপনার নিয়মিত কিছু পাঠক হারাবেন ।
যেকোন লেখাতে ঢুকার পর প্রথমেই চোখের প্রশান্তি জরুরী । চোখ যদি দেখেই বোরিং হয়ে যায় তাহলে ব্রেন না পড়ার সিদ্ধান্ত নিবে। আর চোখ সবসময় সুন্দর জিনিস খুজে। সেজন্য লেখার সময় কয়েকটি বিষয় আপনাকে মনে রাখতে হবে সবসময়। পয়েন্ট পয়েন্ট করে সব লিখা যেন পড়তে সুবিধা বোধ করে মানুষ । চোখ সুন্দর জিনিস খুঁজে তাই লেখার মধ্যে আকর্ষণীয় ছবি ব্যবহার করলে পাঠকের ব্রেন পড়ার আগ্রহ সৃষ্টি করে ।

গুগল উপযোগী এবং ভালমানের লেখা যে বিষয়ের  উপর নির্ভর করে ?
প্রফেশনার রাইটাররা লেখার আগে যা লিখতে চান, সেটার মূল পয়েন্টগুলো গুছিয়ে নেয় । ভাল কোন লেখার খুবই কাযকরী একটি টিপস এটি। তারপর লেখার সময় শুধু এই পয়েন্টগুলোর বিস্তারিত লিখলেই একটি ভালমানের লেখা তৈরি হয়ে যায় । ওয়েবমার্কেটিং, সার্চ র‌্যাংকিং এবং কনটেন্ট মার্কেটিংয়ের জন্য মৌলিক এবং ভাল মানের লেখা লিখার চেষ্টা করতে হবে । লিখা তো লিখলেন এখন গুগল উপযোগী হতে হবে তার জন্য আপনার করনীয় কাজ কন্টেন্ট কে সাজিয়ে তুলা । আপনার  কনটেন্ট গুলোকে এমন ভাবে সাজান যেন দেখতেই মায়া লাগে । ঠিক যেমন করে আপনার প্রেমিকা/প্রেমিককে সাজালে ভাল লাগত ।  ভাল মানের লিখার জন্য আপনি কতটা দক্ষ ? আপনি কতটুকু জানেন? বানানগুলো কি ঠিক করেছেন? আপনি কি  সঠিক ও সুন্দর শব্দের ব্যবহার করতে জানেন ? লেখাটি সম্পর্কে আপনার জ্ঞান কতটুকু ? টপিকস সম্পর্কে গবেষণা ও প্রচুর জ্ঞান আছে কি আপনার ? আপনার লিখাটির ভাষা কি প্রানবঞ্জল । পাঠক কতটুকু সন্তুষ্ট আপনার লিখা পড়ে তা যদি আপনি নির্ধারণ করতে পারেন এবং সব বিষয় গুলো আপনি ঠিক ভাবে পারেন আপনি ভাল কন্টেন্ট রাইটার হতে পারবেন ই । অবশ্যই একটি কথা মাথায় রাখবেন কখনও কারো লিখা সম্পুন্ন কপি করবেন না । কারো লিখা থেকে ভাল কিছু পয়েন্ট থাকলে তা নোট করুন নিজের ভাষায় গুছিয়ে লিখুন । গুগল সবার মামা তাই গুগল মামা সহজেই বুঝতে পারে । সর্বদা নিজে উনিক লিখা লিখতে চেষ্টা করুন ।

কন্টেন্ট লিখেই আপনি কীভাবে বায়ারের কাছে সরাসরি কাজের অফার পাবেন ?

অনেকে চিন্তা করছেন কন্টেন্ট লিখে আয়ই করতে পারি না ঠিক মত আবার বায়ার আমাকে কাজ দিবে তাও সরাসরি ?মাথা নষ্ট নাকি । কয় কি এসব ।  আমি একটু বুজিয়ে বলি । মন দিয়ে শুনেন ।
ধরেন আপনার এক বান্ধবি অনেক ভাল আর্ট করতে পারে । নিজে নিজে ই ফটোশপে অনেক সুন্দর সুন্দর নকশা তৈরি করতে পারে । আপনি জানেন সে ভাল পারে । হঠাৎ আপনার একটি লোগো লাগবে । আপনি অবশ্যই আপনার বন্ধুর কাছেই যাবেন । তেমনি আপনি কন্টেন্ট লিখেন কোন বিসয়ের উপর । তা অনেকেই পড়ে ভিউ অনেক বেশি হয় সবাই আপনাকে সুন্দর কন্টেন্টের জন্য ধন্যবাদ জানায় ।আপনার কাজের দক্ষতা সকলের কাছে পরিস্কার হয়ে যায় আপনি কতটুকু দক্ষ । আপনি হয়ে উঠেন সকলের পরিচিত একজন । ফলে আপনাকে কাজ দিতে কারো কোন রকম শঙ্খজ থাকবেনা । তারা আপনার প্রকৃত ট্যালেন্ট আপনার  কন্টেন্টের মাধ্যমেই জেনে যাবে । এখানেই শেষ নয় ।আপনার লিখা কন্টেন্টটি যারা ভিও করে তারা ভাববে আপনি অনেক এক্সপার্ট ফ্রীলেঞ্চার । কেউ কেউ হয়তো আপনার লিখা পড়ে অনেক কিছু জানবে সঙ্গে আপনি নিজেরও মার্কেটিং করে ফেললেন । আপনি হয়তো আগে ই জানতেন ফ্রীলাঞ্চিং এ সফল হবার মূলমন্ত্রই হল নিজেকেই সবচেয়ে বেশি মার্কেটিং করা । তার সাথে আপনার কাজের দক্ষতা ফুটে উঠে আপনার লিখা কন্টেন্ট দিয়ে । এখনও কি ভাবছেন জনপ্রিয় হতে পারব বুঝলাম কিন্তু বায়ার কই আমাকে অফার করল কাজের । আগে ই বলেছি মার্কেটিং হল কাজ পাওয়ার মূল মন্ত্র। আপনি যদি আপনার দক্ষতার পরিচয় দিতে পারেন আশাকরি খুব বেশিদিন লাগবে না কাজ পেতে । আরও বেশি ভাল হয় নিজের ই একটি ব্লগ তৈরি করে নিন । ব্লগে আপনার বিস্তারিত তথ্য দিন । কাজের নমুনা হিসেবে পোটফলিও তৈরি করুন । সঙ্গে আপনার লিখা কন্টেন্ট গুলো বিশ্ব সেরা ওয়েবসাইট গুলোতে প্রকাশ করার পাশাপাশি আপনার নিজের ব্লগেও রাখুন । বায়ার আপনার লিখা গুলো পড়লেই বুঝবে আপনি টপ লেভেলের একজন ফ্রীলেঞ্চার । ফলে কাজ আপনি পাবেন ই । আমি শুধু একটি কন্টেন্ট লিখেই অনেক গুলো কাজের অফার পেয়েছি । আপনারাও পারবেন । তাই যা নিয়ে কাজ করছেন সেটাই কন্টেন্ট হিসেবে ব্যাবহার করুন । আবার বুঝলেন বায়ার কেন আপনাকে নিজে এসে কাজ দিবে ।কন্টেন্ট রাইটিং অনেক সহজ !!! হুম, যেনতেন একটা কন্টেন্ট লিখা অনেক সহজ। কিন্তু একটু ভালো করে গুছিয়ে কন্টেন্ট লিখতে পারা একটা আর্ট বটে । তাই সর্বদা গুছিয়ে লিখুন আপনার কন্টেন্ট ।

বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে আপনার যোগ্যতা অনুসারে  নিজের পরিচিতি তৈরি করতে চেষ্টা করুন। ফেসবুক, টুইটার, গুগল প্লাস, লিংকডিনে আপনার দক্ষতার পরিচিতি পাওয়া যায়, এমন কিছু কন্টেন্ট যেটি আপনি লিখছেন তার লিংক সহ আর কিছু লিখে প্রতিদিন পোস্ট করুন এবং অন্যদের কাজ শিখতে সাহায্য করেন। বিভিন্ন ব্লগে গিয়ে সেখানকার পোস্টে কমেন্ট করুন।লিখার অভ্যাস গড়ে তুলুন । কমপক্ষে ১৫ দিন পর পর আপনার দক্ষতার পরিচিতি পাওয়া যায় , এমন কোন লেখা পোস্ট করতে পারেন।
মনে রাখবেন, সফলতার কোন সংক্ষিপ্ত রাস্তা নাই। সেজন্য দরকার আপনার পরিশ্রম করার মানসিকতা, ধৈয্য এবং সাধনা। এই তিনটি কাজ ঠিক মত করলে ভাল ক্যারিয়ার গড়তে কখনও ব্যর্থ হতে পারবেননা্। যাদেরকে সফল হতে দেখেছি নিজের চোখে, তাদের মধ্যে এ বিষয়গুলোর চর্চা খুব বেশি ছিল। দক্ষ বাক্তি হলে আপনাকে কাজ খুজতে হবে না । শুধু নিজেকে ব্র্যান্ডিং করুন ।
আপনি অনেক ভাল এসইও এক্সপার্ট, গ্রাফিকস ডিজাইনার কিংবা ওয়েবডিজাইনের কাজ জানেন, কিন্তু সেটি যদি কেউ না জানে, তাহলে আপনাকে কিভাবে কাজ দিবে। যে কোন বিষয় এ এক্সপার্ট হিসেবে নিজের পরিচিতি তৈরির জন্য পরিকল্পনা করে এগিয়ে যাওয়া উচিত। বিভিন্নভাবে ধীরে ধীরে নিজেকে এক্সপার্ট হিসেবে পরিচিতি তৈরি করার চেষ্টা করুন। আপনার কাজের যোগ্যতা পোঁচারে সাহসী হন ।
ওয়ার্ড অফ মাউথ অ্যাডভার্টাইজ ফলো করুন । বুঝলেন না কি বললাম। ওয়ার্ড অফ মাউথ অ্যাডভার্টাইজ অর্থাৎ মুখে মুখে প্রচার টেকনিক যেকোন কিছু মার্কেটিংয়ে সবচাইতে কাযকরী অস্ত্র। আপনি কাজ ভাল জানেন, কিন্তু কেউই সেটা জানেনা। তাহলে কাজ পাবেন কিভাবে সেটা একবার ভেবে দেখেন। মার্কেটপ্লেসে কাজ করলেও প্রচারের এই টেকনিক অবশ্যই ফলো করতে হবে। তাহলে নিজেকে জনপ্রিয় পরিচিত একজন করে তুলুন সফল আপনি হবেন ই ।

প্র্যাকটিস  করার অভিনব কৌশল  :

যখন হাতে কোন কাজ না থাকবে, তখনই রিয়েল কাজের প্র্র্যাকটিস করুন।কাজ গুলোর বর্ণনা নিয়ে কন্টেন্ট লিখুন । নিজের জন্য অন্তত লিখুন আর প্র্যাকটিস করুন কাজ গুলো , বিভিন্ন প্রতিযোগীতাতে অংশগ্রহন করুন, বিভিন্ন কমিউনিটিতে কিংবা ফোরামে কিংবা ব্লগে  লিখাগুলো জমা দিন। অন্যদের থেকে সেই কাজের ব্যাপারে মতামত নিন। সেই অনুযায়ি কাজের আরও আপডেট করুন। প্রতিদিন এই জন্য কিছু সময় নির্ধারণ করুন। এই প্র্যাকটিস আপনার কাজের দক্ষতা বৃদ্ধিতে আরও বেশি সহযোগিতা করবে। সেই সাথে আপনার কনফিডেন্টও বৃদ্ধি করবে অনেক। মনে রাখতে হবে, যেকোন কোর্স  আপনাকে  সেই কাজের জন্য মাত্র ২০% উপযুক্ত হিসেবে তৈরি করবে কিন্তু পুরোপুরি প্রফেশনাল হিসেবে কাজ শুরু করার জন্য প্রচুর কাজের প্র্যাকটিস করতে হবে।

নিজেই নিজের উপর কনফিডেন্ট রাখতে না পারলে বায়ার আপনার উপর কিভাবে কনফিডেন্ট রাখবে। আগে ভাবতে শিখুন, সকল কিছুই আপনার দ্বারা করা সম্ভব। শুধু মাত্র নতুন কাজ হিসেবে একটু পরিশ্রম হবে, সেটি হলেও করা সম্ভব। এ বিশ্বাস আগে তৈরি করুন। সঙ্গে লিখতে থাকুন নানা প্রযুক্তি মাতানো নুতুন সব কন্টেন্ট । লিখবেন তো । আমাকে আপনার লিখা গুলোর লিংক কিন্তু অবশ্যই দিবেন । হয়তো আপনাদের দ্বারাই আমি অনেক আপডেট কিছু সিক্তে পারব । তাই দেরি না করে যা যেটাই করছেন তা নিয়ে ই কন্টেন্ট তৈরি করতে এখন এ বসে পড়ুন ।
সর্বশেষে বলব  এ ধাপগুলো অনুসরণ করে লেখালেখি শুরু করুন। কমপক্ষে ৫টি আর্টিকেল বা কন্টেন্ট লেখুন। দেখবেন একদিন নিজেও প্রফেশনাল রাইটার হয়ে যেতে পারবেন। আর একজন প্রফেশনাল রাইটার হিসেবেও  প্রেস রিলিজ,  ব্লগ রাইটিং,  সেলসকপি রাইটিং এবং অন্য যেকোন জায়গাতে লেখালেখি করেও ভাল মানের আয় করতে পারবেন । সেই সাথে বোনাস হিসেবে পাবেন প্রচুর সুনাম ।
এ লেখাটি শুধুমাত্র নিজে একা না পড়ে, সবাইকে পড়ার সুযোগ করে দিন। সেজন্য এ পোস্টটির লিংক আপনার ফেসবুকে শেয়ার করুন। ভাল লাগলে কমেন্ট করলে পরবর্তী আকর্ষণটি পোস্ট করতে উৎসাহ পাব।
এসইও কিংবা অন্য যেকোন ব্যপারে যেকোন প্রশ্নের জন্য আমার ফেসবুক জানাতে পারেন ।

আপনার ই-কমার্স সাইটটিকে কিভাবে কার্যকর ও আকর্ষণীয় ভাবে সাজাবেন।

‘শপিং ত মেয়েদের কাজ’। একটা সময় ছিল যখন এমনই ভাবা হত। কিন্তু অজকের দিনে এমনটা মোটেই ঠিক নয় । কেননা অনলাইনেই এমন অনেক টেক গ্যাজেট স্টোর রয়েছে যেখানে পুরুষ ক্রেতারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় পার করে দেয় অনায়াসে, একই রকম ভাবে প্রচুর ভাল ভাল বিশেসায়িত অনলাইন স্টোর রয়েছে শিশু, পিতামাতা বা কিশোর কিশোরিদের জন্য। এই পোস্টে আমি ই-কমার্সের গুন গান গাইবো না । সেসব আপনারা ভালই জানেন। তাই আমি এই পোস্টে একটা আদর্শ ই-কমার্স সাইটে যেসব ফিচার থাকা উচিত বা এর হোম পেইজ বা লে-আউট নিয়ে কথা বলবো যেন আপনার ই-কমার্স সাইটের ডিজাইন আপনাকে সাফল্য পেতে সাহায্য করে।

১। লোগোঃ

স্টার্টআপ সপ বা ব্রান্ডেড স্টোর সে যাই হোক সবার জন্যই একটা পরিষ্কার পরিছন্ন , এবং সহজে সনাক্ত করা যায় এমন একটা লোগো একটা বিজনেস কার্ডের মত কাজ করে। অনলাইন শপিং এর ক্ষেত্রে একটা লোগো কোন কোম্পনি বা সংগঠনের জন্য নিশ্চয়তা বা বিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে কাজ করে। আপনি আপনার লোগোটি ভেবে চিনতে ডিজাইন করে নিন কেননা এই লোগো আপনাকে বা আপনার কোম্পানিকে একটা ব্যান্ড হিসেবে দাড় করানোর প্রথম হাতিয়ার।

২। দ্রুত ও সঠিক সার্চ বক্সঃ

আজকের দিনে আমরা সবাই ব্যাস্ত, ভয়ানক ব্যাস্ত । এমন কি দম ফেলবার ও সময় যেন আমাদের নেই। তাহলে আপনার কাস্টমাররা আপনার থেকে ব্যাতিক্রম হবে , একথা কেন ভাবছেন ? না ভেবে থাকলে আপনার ই-কমার্স সাইটে একটা দ্রুততার সাথে কার্যকর সার্চ বক্স থাকা বাধ্যতামূলক যেন আপনার ক্রেতারা অল্প সময়ের মধ্যেই খুজে পায় ঠিক যে প্রডাক্টটা তারা খুঁজছে । আর একটা বিষয় আপনার সার্চ বক্সটা অবশ্যই সহজেই দেখা যায় এমন জায়গায় রাখতে হবে। মানে আপনার সাইটে একটা সার্চ বক্স আছে বটে তবে সেটাকে খুজে পেতেই কাস্টমারদের কে অন্য একটি সার্চ বক্স লাগবে , এমনটা হলে সার্চ বক্স রাখার উদেশ্য থেকে আপনি দূরে সরে গেলেন। আপনার সার্চ বক্সটি থাকা উচিত সাইটের উপরের দিকে যেন খুব সহজেই চোখে পরে।
দ্বিতীয় আরেকটি ব্যাপার হল, আপনার সার্চ অপসানটা যেন ঠিক ঠাক কাজ করে সেদিখে লক্ষ্য রাখতে হবে। মানে নিদিষ্ট কোন প্রডাক্ট সার্চ করলে আম জনতা টাইপের সব প্রডাক্ট নিয়ে যেন হাজির না হয় বরং সার্চ করা সেই প্রডাক্টই যেন আসে ।

৩। ফিচার প্রডাক্টঃ

আপনি আপনার সাইটের হোম পেজে বা পেজের যেকোন সাইডে ফিচার প্রডাক্ট নামে একটা অপসান রাখতে পারেন। এর মাধ্যমে আপনি আপনার টপ সেলিং প্রডাক্ট সম্পর্কে ক্রেতাকে জানাতে পারেন, কোন আকর্ষণীয় অফার দিতে পারেন অথবা সাধারন প্রডাক্ট ও সেখানে রাখতে পারেন যেগুলো কে আপনি পুশ করে সেল করতে চাচ্ছেন বা ভিজিটরদের নজরে আনতে চাচ্ছেন।

৪। রিলেটেড প্রডাক্টঃ

এটা একটা দারুন ফিচার যা দিয়ে আপনি আপনার ভিজিটরদের কে তারা যে প্রডাক্টটি দেখছে তার সাথে রিলেটেড কি কি প্রডাক্ট আছে তা বলতে পারেন। এটা অসাধারণ একটা আপসেলিং কোশল। আপনি এখানে এই চাতুরির সাথে এই লাইন টি ব্যাবহার করতে পারেন   “Customers Who Bought This Item Also Bought ”  এর মাধ্যমে আপনি ভিজিটরকে একই সাথে একাধিন পণ্য কিনতে উৎসাহিত করতে পারেন।

৫। নিঊজ লেটার সাবস্ক্রিপ্সানঃ

এই ফিচারের মাধ্যমে আপনি ভিজিটরদের কে তাদের ইমেইল ঠিকানা দিয়ে আপনার নতুন নতুন পণ্য বা সেবা বা কোন অফার সম্পর্কে জানাতে পারেন। এর মাধ্যমে আপনি একটা ইমেল লিস্ট ও বানাতে পারেন যা দিতে পরবর্তীতে আপনি ইমেইল মার্কেটিং করে আপনার পণ্য সেল করতে পারেন।

৬। প্রডাক্ট জুম করে দেখার অপসানঃ

আপনার সাইটে যদি একটা ভাল প্রডাক্ট জুম অপসান থাকে তাহলে সেটা আপনার জন্য হবে একটা প্লাস পয়েন্ট। কিছু কিছু সময় ক্রেতারা চান কেনার আগে পণ্যটা অনুভব করতে ,স্পর্শ করতে। কিন্তু অনলাইনে ত এর কোন সুযোগই নাই। আপনি এর বিকল্প হিসেবে খুব ভাল একটা জুম অপসান রাখতে পারেন যেন ক্রেতারা খুঁটিতে খুঁটিয়ে আপনার পণ্যটিকে কেনার আগে দেখে নিতে পারে। পণ্যের বিস্তারিত দেখার সুযোগ ভিজিটরদের কে ক্রেতা তে রূপান্তরিত করার একটি ভাল হাতিয়ার।

৭ । ক্যাটাগরি অপসানঃ

আপনার সব পণ্যের একটা ভাল করে গোছানো ক্যাটাগরি থাকা উচিত। আর ক্যাটাগরিতে যেন খুব সহজেই এক্সেস করা যায় সেদিকে ও নজর দিতে হবে। সেজন্য আপনি ক্যাটাগরিকে সাইটের উপরে বা যেকোণ একপাশে রাখতে পারেন।

৮। ন্যাভিগেশনঃ

সব সাইটের জন্যই ন্যাভিগেশন একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার।ই-কমার্সের জন্য এটা আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য খেয়াল রাখতে হবে আপনার ভিজিটররা যেন খুব সহজেই আপনার সাইটের বিভিন্ন সেকশানে এক্সেস করতে পারে তার সাথে সাথে যেন যেকোন সেকশান থেকে শপিং কার্টে এক্সেস করতে পারে।

৯। ভাল পেমেন্ট গেটওয়ে ও আইকোনঃ

আপনার সাইটে যদি ভাল একটা পেমেন্ট গেটওয়ে থাকে তাহলে সেটা আপনার ভিজিটরদের কে আশ্বস্ত এবং নিশ্চিন্ত করবে। ভিজিটররা সাছন্দ বোধ করবে এমনটা মাথায় রেখে পেমেন্ট গেটওয়ে মারচেন্ট নির্বাচন করতে হবে। আপনি পেমেন্ট এর জন্য হয়ত ব্যাবহার করেন,ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, গিফট ভাউচার, ক্যাশ অন ডেলিভারি অথবা পেপাল । ওসবের যেগুলোই আপনি ব্যবহার করেন না কেন ফুটারে তাদের স্পস্ট আইকোন থাকা উচিত।

১০। প্রাইভেসি পলিসিঃ

পরিষ্কার ভাবে সব কিছু উল্লেখ করে বানানো একটা প্রাইভেসি পলিসি সাইটের সাইটের ফুটারে রাখতে হবে।

১১। ভাল রিটার্ন পলিসিঃ

আপনার সাইটে যখন ভিজিটররা একটা ভাল রিটার্ন পলিসি দেখবে তখন তারা খুব স্বাভাবিক ভাবেই এটা ভেবে আশ্বস্ত বোধ করবে যে যদি কিছু ভুল-চুক হয় তবে ফেরত ত দেয়া যাচ্ছেই। আপনি হয়ত ভাবছেন ,রিটার্ন পলিসি আপনার জন্য জামেলার কারন হবে। কাস্টমাররা পণ্য কিনবে পণ্য ফেরত পাঠাবার জন্য। পুরোটাই ভুল ধারনা , আপনি যদি মুরগির নাম বলে কাচকি মাছ খাওয়ানোর চেষ্টা না করেন মানে আপনি যদি আপনার কথা ও কাজে সৎ থাকেন তাহলে ভাল একটা রিটার্ন পলিসি আপনার সেল আরো বাড়িয়ে দিবে নিশ্চিত থাকেন কেননা ক্রেতারা তখন নিজেকে অনেক বেশি সেফ মনে করবে।

১২। লগইন ও রেজিস্টেশনঃ

আপনার সাইটের ভিজিটরদেরকে রেজিস্টেশন করার অপসান দিন। যাতে করে তারা যখন পুনারায় ফিরে আসলে যেন আবার ও বিলিং ও পেমেন্ট ডিটেইল পুনরায় এন্ট্রি করা না লাগে। ভিজিটরদের কে দ্রুত চেক আউট এর অপসান দিন।

১৩। হাই কোয়ালিটি ইমেজঃ


আপনার সাইটে হাই কোয়ালিটি গ্রাফিক ব্যানার, ইমেজ ব্যবহার করুন। এতে করে ভিজিটরদের কে আকৃষ্ট করে সহজ হবে। সেলস প্রমোশান ও বিভিন্ন অফারের জন্য ও সুন্দর সুন্দর ব্যানার ব্যাবহার করুন যাতে করে সেগুলো দেখেই ভিজিটরের মনে ক্লিক করার ইচ্ছে হয়।

১৪। ডেলিভারি ইনফরমেশনঃ

পরিষ্কার ভাবে টাইম ফ্রেম উল্লেখ করে সব সময় আপনি কিভাবে আপনার পণ্যটি ডেলিভারি দিবেন তা উল্লেখ করুন এতে করে ক্রেতা ঠিক কখন তার কেনা পণ্যটা হাতে পাবে তার একটা ধারনা পাবেন।

১৫। নিউজ ও ইভেন্ট (ব্লগ)


এই সেকসানটির মাধ্যামে আপনি আপনার সাইটের পণ্য, পন্য সম্পর্কিত কোন খবরাখবর ,এবং কোন ইভেন্টের সম্পর্কে ক্রেতাকে জানাতে পারেন। একটা ব্লগিং প্লাটফর্ম ব্যাবহার করে আপনি খুব সহজেই এই কাজটি করতে পারেন। এই অংশটি আপনার ই-কমার্স সাইটটির এস ই ও (SEO) এর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ কেননা এটি আপনার সাইটটিকে র্যা ঙ্ক করাতে খুবই সাহায্য করবে।

১৬। কেন ক্রেতারা আপনার কাছ থেকে কিনবেন ?


যদিও বাংলাদেশে কমপিটিশান এখনও বহিবিশ্বের মত নয়। তারপর ও একথা বলাই যায় বাংলাদেশেও প্রতিজোগিতা এখন আগের তুলনায় বেশি এবং ক্রমেই তা বাড়ছে ও আরো বাড়বে। তাহলে একজন ক্রেতা অনলাইন আরও অনেক দোকানের মাজ থেকে আপনার স্টোর থেকে কেন পণ্য বা সেবা কিনবে। এ বিসয়টা ক্রেতাদের কাছে পরিষ্কার করতে হবে। এই রকম কিছু বার্তা আপনার সাইটে থাকতে হবে, সম্ভব হলে প্রমান সহ।
কিছু ইউনিক সেলিং পয়েন্ট হতে পারে এমনঃ
 ফ্রি ডেলিভারি
 পরের দিনই ডেলিভারি
 সুলভ মুল্য
 মার্কেট লিডার
 কাস্টমার সাপোর্ট হটলাইন
 নিরাপদ পেমেন্ট গেটওয়ে ।

১৭। কাস্টমার সাপোর্টঃ


কাস্টমাররা যারা অনলাইন থেকে কোন কিছু কিনবেন তারা অর্ডার করার সময় কোন প্রয়োজন হলে সাহায্য পাবেন এমনটা জানলে খুবই আশ্বস্ত হবেন এবং নিশিন্ত মনে কেনার সিদ্দান্ত নিয়ে অর্ডার করতে পারবেন।
তাই তাদের কে আশ্বস্ত করার জন্য কাস্টমার সাপোর্ট নাম্বার সহজেই খুজে পাওয়া যায় সাইটের এমন জায়গায় রাখতে হবে ।

১৮। ওয়েব সাইট নিরাপত্তাঃ

আপানর ই-কমার্স সাইট টিকে অবশ্যই নিরাপদ হতে হবে। ক্রেতারা তাদের ক্রেডিট কার্ড বা অন্যান্য ইলেকট্রনিক পেমেণ্ট ম্যাথড ব্যবহার করে পণ্য কিনবেন তাই সাইট নিরাপত্তা একটা বড় ইস্যু। ক্রেতা কোন কারনে আপনার সাইট নিরাপদ মনে না করলে সব কিছু অনেক বেশি ভাল বা কোয়ালিটি সম্পন্ন হলে ও ক্রেতারা কোন পণ্য না কিনে ফিরে যেতে পারে। আর একজন অসন্তুষ্ট ক্রেতা দ্বিতীয়বার ফিরে আসবে এটা ভাবার ও কোন কারন নাই। তাই আপনার সাইটে সঠিক নিরাপত্তা ব্যাবস্থা থাকতে হবে যেমনঃ এইচ টি টি পি এস (https) যা সাইট ব্রাউজ করার সময় কাস্টমারের কম্পিটারে ভাইরাস আক্রমণ প্রতিরোধ করবে। এটা আপনার সাইটে সাইবার এটাক হলে কাস্টমারের কোন তথ্য চুরি হবে না এমন নিশ্চয়টা দেয়।

১৯। সোশ্যাল মিডিয়া লিঙ্কঃ

এক গবেষণায় দেখা গেছে শতকরা কমপক্ষে ২০ ভাগ সেল আসে সোসাল মিডিয়া গুলো থেকে। আমরা সামাজিক জীব হওয়াতে । আমরা সব সময় জানতে চাই কোন একটা বিষয়ে অন্যদের কি ভাবছে। সেটা আপনার পণ্যের জন্য ও সত্য। ফেসবুক, গুগুল প্লাস, টুইটার হল জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়াম গুলর অন্যতম। এসব হল সেলফ প্রমোশানের দারুন কিছু মাধ্যাম। অনলাইন শপ গুলর জন্য তাদের
ক্রেতাদের কে পণ্য সংক্রান্ত খোজ খবর, বিশেষ অফার, স্পেশাল ডিল, বা প্রমোশান ইত্যাদি তথ্য প্রদান করে আপডেট রাখার সবচেয়ে ভাল উপায়। তাই আপনার সাইটে প্রধান প্রধান সব সোশ্যাল মিডিয়ার লিঙ্ক সহ আইকন থাকতে হবে।

২০। ট্রাষ্ট মার্কসঃ


ট্রাস্ট মার্কস হল ছোট ইমেজ বা লোগো যেগুলো ক্রেতাকে সাইট টি নিরাপদ বলে সাক্ষ্য দেয়। ট্রাস্ট মার্কস আসতে পারে নেটওয়ার্ক সলিউসান , McAfee, Verisign, BBB, TRUSTe, GeoTrust ইত্যাদি থেকে। এধরনের এক্রেডিটেশান সারটিফিকেট ক্রেতা কে এক ধরনের নিরাপত্তা বোধের অনুভুতি দেয় ফলে ক্রেতারা নিশিন্তে তাদের ব্যাক্তিগত তথ্য ও পেয়িং ডিটেইলস শেয়ার করে থাকে। এসব ট্রাস্ট মার্ক আইকন আপনি আপনার সাইটের ফুটারে প্রদর্শন করতে পারেন।
আপনার ই-কমার্স সাইট টিকে উপরের ফিচার গুলো সহ সাজিয়ে নিয়ে শুরু করে আপনার ব্যাবসায়কে নিয়ে যান আপনার কমপিটেটদের নাগালের বাইরে।
হ্যাপি ই-কমার্সিং :-D

পরবর্তী লেখাঃ

৩ টি উপায়, প্রডাক্ট পেইজ এস ই ও (SEO) অপ্টিমাইজ করার।
ফেসবুকে আমি । জানতে বা জানাতে যোগ দিতে পারেন ফেসবুক গ্রুপে (Online Content, Professional Blogging, e-marketing, SEO Group)

আপনার ই-কমার্স সাইটটিকে কিভাবে কার্যকর ও আকর্ষণীয় ভাবে সাজাবেন।

‘শপিং ত মেয়েদের কাজ’। একটা সময় ছিল যখন এমনই ভাবা হত। কিন্তু অজকের দিনে এমনটা মোটেই ঠিক নয় । কেননা অনলাইনেই এমন অনেক টেক গ্যাজেট স্টোর রয়েছে যেখানে পুরুষ ক্রেতারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় পার করে দেয় অনায়াসে, একই রকম ভাবে প্রচুর ভাল ভাল বিশেসায়িত অনলাইন স্টোর রয়েছে শিশু, পিতামাতা বা কিশোর কিশোরিদের জন্য। এই পোস্টে আমি ই-কমার্সের গুন গান গাইবো না । সেসব আপনারা ভালই জানেন। তাই আমি এই পোস্টে একটা আদর্শ ই-কমার্স সাইটে যেসব ফিচার থাকা উচিত বা এর হোম পেইজ বা লে-আউট নিয়ে কথা বলবো যেন আপনার ই-কমার্স সাইটের ডিজাইন আপনাকে সাফল্য পেতে সাহায্য করে।

১। লোগোঃ

স্টার্টআপ সপ বা ব্রান্ডেড স্টোর সে যাই হোক সবার জন্যই একটা পরিষ্কার পরিছন্ন , এবং সহজে সনাক্ত করা যায় এমন একটা লোগো একটা বিজনেস কার্ডের মত কাজ করে। অনলাইন শপিং এর ক্ষেত্রে একটা লোগো কোন কোম্পনি বা সংগঠনের জন্য নিশ্চয়তা বা বিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে কাজ করে। আপনি আপনার লোগোটি ভেবে চিনতে ডিজাইন করে নিন কেননা এই লোগো আপনাকে বা আপনার কোম্পানিকে একটা ব্যান্ড হিসেবে দাড় করানোর প্রথম হাতিয়ার।

২। দ্রুত ও সঠিক সার্চ বক্সঃ

আজকের দিনে আমরা সবাই ব্যাস্ত, ভয়ানক ব্যাস্ত । এমন কি দম ফেলবার ও সময় যেন আমাদের নেই। তাহলে আপনার কাস্টমাররা আপনার থেকে ব্যাতিক্রম হবে , একথা কেন ভাবছেন ? না ভেবে থাকলে আপনার ই-কমার্স সাইটে একটা দ্রুততার সাথে কার্যকর সার্চ বক্স থাকা বাধ্যতামূলক যেন আপনার ক্রেতারা অল্প সময়ের মধ্যেই খুজে পায় ঠিক যে প্রডাক্টটা তারা খুঁজছে । আর একটা বিষয় আপনার সার্চ বক্সটা অবশ্যই সহজেই দেখা যায় এমন জায়গায় রাখতে হবে। মানে আপনার সাইটে একটা সার্চ বক্স আছে বটে তবে সেটাকে খুজে পেতেই কাস্টমারদের কে অন্য একটি সার্চ বক্স লাগবে , এমনটা হলে সার্চ বক্স রাখার উদেশ্য থেকে আপনি দূরে সরে গেলেন। আপনার সার্চ বক্সটি থাকা উচিত সাইটের উপরের দিকে যেন খুব সহজেই চোখে পরে।
দ্বিতীয় আরেকটি ব্যাপার হল, আপনার সার্চ অপসানটা যেন ঠিক ঠাক কাজ করে সেদিখে লক্ষ্য রাখতে হবে। মানে নিদিষ্ট কোন প্রডাক্ট সার্চ করলে আম জনতা টাইপের সব প্রডাক্ট নিয়ে যেন হাজির না হয় বরং সার্চ করা সেই প্রডাক্টই যেন আসে ।

৩। ফিচার প্রডাক্টঃ

আপনি আপনার সাইটের হোম পেজে বা পেজের যেকোন সাইডে ফিচার প্রডাক্ট নামে একটা অপসান রাখতে পারেন। এর মাধ্যমে আপনি আপনার টপ সেলিং প্রডাক্ট সম্পর্কে ক্রেতাকে জানাতে পারেন, কোন আকর্ষণীয় অফার দিতে পারেন অথবা সাধারন প্রডাক্ট ও সেখানে রাখতে পারেন যেগুলো কে আপনি পুশ করে সেল করতে চাচ্ছেন বা ভিজিটরদের নজরে আনতে চাচ্ছেন।

৪। রিলেটেড প্রডাক্টঃ

এটা একটা দারুন ফিচার যা দিয়ে আপনি আপনার ভিজিটরদের কে তারা যে প্রডাক্টটি দেখছে তার সাথে রিলেটেড কি কি প্রডাক্ট আছে তা বলতে পারেন। এটা অসাধারণ একটা আপসেলিং কোশল। আপনি এখানে এই চাতুরির সাথে এই লাইন টি ব্যাবহার করতে পারেন   “Customers Who Bought This Item Also Bought ”  এর মাধ্যমে আপনি ভিজিটরকে একই সাথে একাধিন পণ্য কিনতে উৎসাহিত করতে পারেন।

৫। নিঊজ লেটার সাবস্ক্রিপ্সানঃ

এই ফিচারের মাধ্যমে আপনি ভিজিটরদের কে তাদের ইমেইল ঠিকানা দিয়ে আপনার নতুন নতুন পণ্য বা সেবা বা কোন অফার সম্পর্কে জানাতে পারেন। এর মাধ্যমে আপনি একটা ইমেল লিস্ট ও বানাতে পারেন যা দিতে পরবর্তীতে আপনি ইমেইল মার্কেটিং করে আপনার পণ্য সেল করতে পারেন।

৬। প্রডাক্ট জুম করে দেখার অপসানঃ

আপনার সাইটে যদি একটা ভাল প্রডাক্ট জুম অপসান থাকে তাহলে সেটা আপনার জন্য হবে একটা প্লাস পয়েন্ট। কিছু কিছু সময় ক্রেতারা চান কেনার আগে পণ্যটা অনুভব করতে ,স্পর্শ করতে। কিন্তু অনলাইনে ত এর কোন সুযোগই নাই। আপনি এর বিকল্প হিসেবে খুব ভাল একটা জুম অপসান রাখতে পারেন যেন ক্রেতারা খুঁটিতে খুঁটিয়ে আপনার পণ্যটিকে কেনার আগে দেখে নিতে পারে। পণ্যের বিস্তারিত দেখার সুযোগ ভিজিটরদের কে ক্রেতা তে রূপান্তরিত করার একটি ভাল হাতিয়ার।

৭ । ক্যাটাগরি অপসানঃ

আপনার সব পণ্যের একটা ভাল করে গোছানো ক্যাটাগরি থাকা উচিত। আর ক্যাটাগরিতে যেন খুব সহজেই এক্সেস করা যায় সেদিকে ও নজর দিতে হবে। সেজন্য আপনি ক্যাটাগরিকে সাইটের উপরে বা যেকোণ একপাশে রাখতে পারেন।

৮। ন্যাভিগেশনঃ

সব সাইটের জন্যই ন্যাভিগেশন একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার।ই-কমার্সের জন্য এটা আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য খেয়াল রাখতে হবে আপনার ভিজিটররা যেন খুব সহজেই আপনার সাইটের বিভিন্ন সেকশানে এক্সেস করতে পারে তার সাথে সাথে যেন যেকোন সেকশান থেকে শপিং কার্টে এক্সেস করতে পারে।

৯। ভাল পেমেন্ট গেটওয়ে ও আইকোনঃ

আপনার সাইটে যদি ভাল একটা পেমেন্ট গেটওয়ে থাকে তাহলে সেটা আপনার ভিজিটরদের কে আশ্বস্ত এবং নিশ্চিন্ত করবে। ভিজিটররা সাছন্দ বোধ করবে এমনটা মাথায় রেখে পেমেন্ট গেটওয়ে মারচেন্ট নির্বাচন করতে হবে। আপনি পেমেন্ট এর জন্য হয়ত ব্যাবহার করেন,ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, গিফট ভাউচার, ক্যাশ অন ডেলিভারি অথবা পেপাল । ওসবের যেগুলোই আপনি ব্যবহার করেন না কেন ফুটারে তাদের স্পস্ট আইকোন থাকা উচিত।

১০। প্রাইভেসি পলিসিঃ

পরিষ্কার ভাবে সব কিছু উল্লেখ করে বানানো একটা প্রাইভেসি পলিসি সাইটের সাইটের ফুটারে রাখতে হবে।

১১। ভাল রিটার্ন পলিসিঃ

আপনার সাইটে যখন ভিজিটররা একটা ভাল রিটার্ন পলিসি দেখবে তখন তারা খুব স্বাভাবিক ভাবেই এটা ভেবে আশ্বস্ত বোধ করবে যে যদি কিছু ভুল-চুক হয় তবে ফেরত ত দেয়া যাচ্ছেই। আপনি হয়ত ভাবছেন ,রিটার্ন পলিসি আপনার জন্য জামেলার কারন হবে। কাস্টমাররা পণ্য কিনবে পণ্য ফেরত পাঠাবার জন্য। পুরোটাই ভুল ধারনা , আপনি যদি মুরগির নাম বলে কাচকি মাছ খাওয়ানোর চেষ্টা না করেন মানে আপনি যদি আপনার কথা ও কাজে সৎ থাকেন তাহলে ভাল একটা রিটার্ন পলিসি আপনার সেল আরো বাড়িয়ে দিবে নিশ্চিত থাকেন কেননা ক্রেতারা তখন নিজেকে অনেক বেশি সেফ মনে করবে।

১২। লগইন ও রেজিস্টেশনঃ

আপনার সাইটের ভিজিটরদেরকে রেজিস্টেশন করার অপসান দিন। যাতে করে তারা যখন পুনারায় ফিরে আসলে যেন আবার ও বিলিং ও পেমেন্ট ডিটেইল পুনরায় এন্ট্রি করা না লাগে। ভিজিটরদের কে দ্রুত চেক আউট এর অপসান দিন।

১৩। হাই কোয়ালিটি ইমেজঃ


আপনার সাইটে হাই কোয়ালিটি গ্রাফিক ব্যানার, ইমেজ ব্যবহার করুন। এতে করে ভিজিটরদের কে আকৃষ্ট করে সহজ হবে। সেলস প্রমোশান ও বিভিন্ন অফারের জন্য ও সুন্দর সুন্দর ব্যানার ব্যাবহার করুন যাতে করে সেগুলো দেখেই ভিজিটরের মনে ক্লিক করার ইচ্ছে হয়।

১৪। ডেলিভারি ইনফরমেশনঃ

পরিষ্কার ভাবে টাইম ফ্রেম উল্লেখ করে সব সময় আপনি কিভাবে আপনার পণ্যটি ডেলিভারি দিবেন তা উল্লেখ করুন এতে করে ক্রেতা ঠিক কখন তার কেনা পণ্যটা হাতে পাবে তার একটা ধারনা পাবেন।

১৫। নিউজ ও ইভেন্ট (ব্লগ)


এই সেকসানটির মাধ্যামে আপনি আপনার সাইটের পণ্য, পন্য সম্পর্কিত কোন খবরাখবর ,এবং কোন ইভেন্টের সম্পর্কে ক্রেতাকে জানাতে পারেন। একটা ব্লগিং প্লাটফর্ম ব্যাবহার করে আপনি খুব সহজেই এই কাজটি করতে পারেন। এই অংশটি আপনার ই-কমার্স সাইটটির এস ই ও (SEO) এর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ কেননা এটি আপনার সাইটটিকে র্যা ঙ্ক করাতে খুবই সাহায্য করবে।

১৬। কেন ক্রেতারা আপনার কাছ থেকে কিনবেন ?


যদিও বাংলাদেশে কমপিটিশান এখনও বহিবিশ্বের মত নয়। তারপর ও একথা বলাই যায় বাংলাদেশেও প্রতিজোগিতা এখন আগের তুলনায় বেশি এবং ক্রমেই তা বাড়ছে ও আরো বাড়বে। তাহলে একজন ক্রেতা অনলাইন আরও অনেক দোকানের মাজ থেকে আপনার স্টোর থেকে কেন পণ্য বা সেবা কিনবে। এ বিসয়টা ক্রেতাদের কাছে পরিষ্কার করতে হবে। এই রকম কিছু বার্তা আপনার সাইটে থাকতে হবে, সম্ভব হলে প্রমান সহ।
কিছু ইউনিক সেলিং পয়েন্ট হতে পারে এমনঃ
 ফ্রি ডেলিভারি
 পরের দিনই ডেলিভারি
 সুলভ মুল্য
 মার্কেট লিডার
 কাস্টমার সাপোর্ট হটলাইন
 নিরাপদ পেমেন্ট গেটওয়ে ।

১৭। কাস্টমার সাপোর্টঃ


কাস্টমাররা যারা অনলাইন থেকে কোন কিছু কিনবেন তারা অর্ডার করার সময় কোন প্রয়োজন হলে সাহায্য পাবেন এমনটা জানলে খুবই আশ্বস্ত হবেন এবং নিশিন্ত মনে কেনার সিদ্দান্ত নিয়ে অর্ডার করতে পারবেন।
তাই তাদের কে আশ্বস্ত করার জন্য কাস্টমার সাপোর্ট নাম্বার সহজেই খুজে পাওয়া যায় সাইটের এমন জায়গায় রাখতে হবে ।

১৮। ওয়েব সাইট নিরাপত্তাঃ

আপানর ই-কমার্স সাইট টিকে অবশ্যই নিরাপদ হতে হবে। ক্রেতারা তাদের ক্রেডিট কার্ড বা অন্যান্য ইলেকট্রনিক পেমেণ্ট ম্যাথড ব্যবহার করে পণ্য কিনবেন তাই সাইট নিরাপত্তা একটা বড় ইস্যু। ক্রেতা কোন কারনে আপনার সাইট নিরাপদ মনে না করলে সব কিছু অনেক বেশি ভাল বা কোয়ালিটি সম্পন্ন হলে ও ক্রেতারা কোন পণ্য না কিনে ফিরে যেতে পারে। আর একজন অসন্তুষ্ট ক্রেতা দ্বিতীয়বার ফিরে আসবে এটা ভাবার ও কোন কারন নাই। তাই আপনার সাইটে সঠিক নিরাপত্তা ব্যাবস্থা থাকতে হবে যেমনঃ এইচ টি টি পি এস (https) যা সাইট ব্রাউজ করার সময় কাস্টমারের কম্পিটারে ভাইরাস আক্রমণ প্রতিরোধ করবে। এটা আপনার সাইটে সাইবার এটাক হলে কাস্টমারের কোন তথ্য চুরি হবে না এমন নিশ্চয়টা দেয়।

১৯। সোশ্যাল মিডিয়া লিঙ্কঃ

এক গবেষণায় দেখা গেছে শতকরা কমপক্ষে ২০ ভাগ সেল আসে সোসাল মিডিয়া গুলো থেকে। আমরা সামাজিক জীব হওয়াতে । আমরা সব সময় জানতে চাই কোন একটা বিষয়ে অন্যদের কি ভাবছে। সেটা আপনার পণ্যের জন্য ও সত্য। ফেসবুক, গুগুল প্লাস, টুইটার হল জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়াম গুলর অন্যতম। এসব হল সেলফ প্রমোশানের দারুন কিছু মাধ্যাম। অনলাইন শপ গুলর জন্য তাদের
ক্রেতাদের কে পণ্য সংক্রান্ত খোজ খবর, বিশেষ অফার, স্পেশাল ডিল, বা প্রমোশান ইত্যাদি তথ্য প্রদান করে আপডেট রাখার সবচেয়ে ভাল উপায়। তাই আপনার সাইটে প্রধান প্রধান সব সোশ্যাল মিডিয়ার লিঙ্ক সহ আইকন থাকতে হবে।

২০। ট্রাষ্ট মার্কসঃ


ট্রাস্ট মার্কস হল ছোট ইমেজ বা লোগো যেগুলো ক্রেতাকে সাইট টি নিরাপদ বলে সাক্ষ্য দেয়। ট্রাস্ট মার্কস আসতে পারে নেটওয়ার্ক সলিউসান , McAfee, Verisign, BBB, TRUSTe, GeoTrust ইত্যাদি থেকে। এধরনের এক্রেডিটেশান সারটিফিকেট ক্রেতা কে এক ধরনের নিরাপত্তা বোধের অনুভুতি দেয় ফলে ক্রেতারা নিশিন্তে তাদের ব্যাক্তিগত তথ্য ও পেয়িং ডিটেইলস শেয়ার করে থাকে। এসব ট্রাস্ট মার্ক আইকন আপনি আপনার সাইটের ফুটারে প্রদর্শন করতে পারেন।
আপনার ই-কমার্স সাইট টিকে উপরের ফিচার গুলো সহ সাজিয়ে নিয়ে শুরু করে আপনার ব্যাবসায়কে নিয়ে যান আপনার কমপিটেটদের নাগালের বাইরে।
হ্যাপি ই-কমার্সিং :-D

পরবর্তী লেখাঃ

৩ টি উপায়, প্রডাক্ট পেইজ এস ই ও (SEO) অপ্টিমাইজ করার।
ফেসবুকে আমি । জানতে বা জানাতে যোগ দিতে পারেন ফেসবুক গ্রুপে (Online Content, Professional Blogging, e-marketing, SEO Group)

আপনার ই-কমার্স সাইটটিকে কিভাবে কার্যকর ও আকর্ষণীয় ভাবে সাজাবেন।

‘শপিং ত মেয়েদের কাজ’। একটা সময় ছিল যখন এমনই ভাবা হত। কিন্তু অজকের দিনে এমনটা মোটেই ঠিক নয় । কেননা অনলাইনেই এমন অনেক টেক গ্যাজেট স্টোর রয়েছে যেখানে পুরুষ ক্রেতারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় পার করে দেয় অনায়াসে, একই রকম ভাবে প্রচুর ভাল ভাল বিশেসায়িত অনলাইন স্টোর রয়েছে শিশু, পিতামাতা বা কিশোর কিশোরিদের জন্য। এই পোস্টে আমি ই-কমার্সের গুন গান গাইবো না । সেসব আপনারা ভালই জানেন। তাই আমি এই পোস্টে একটা আদর্শ ই-কমার্স সাইটে যেসব ফিচার থাকা উচিত বা এর হোম পেইজ বা লে-আউট নিয়ে কথা বলবো যেন আপনার ই-কমার্স সাইটের ডিজাইন আপনাকে সাফল্য পেতে সাহায্য করে।

১। লোগোঃ

স্টার্টআপ সপ বা ব্রান্ডেড স্টোর সে যাই হোক সবার জন্যই একটা পরিষ্কার পরিছন্ন , এবং সহজে সনাক্ত করা যায় এমন একটা লোগো একটা বিজনেস কার্ডের মত কাজ করে। অনলাইন শপিং এর ক্ষেত্রে একটা লোগো কোন কোম্পনি বা সংগঠনের জন্য নিশ্চয়তা বা বিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে কাজ করে। আপনি আপনার লোগোটি ভেবে চিনতে ডিজাইন করে নিন কেননা এই লোগো আপনাকে বা আপনার কোম্পানিকে একটা ব্যান্ড হিসেবে দাড় করানোর প্রথম হাতিয়ার।

২। দ্রুত ও সঠিক সার্চ বক্সঃ

আজকের দিনে আমরা সবাই ব্যাস্ত, ভয়ানক ব্যাস্ত । এমন কি দম ফেলবার ও সময় যেন আমাদের নেই। তাহলে আপনার কাস্টমাররা আপনার থেকে ব্যাতিক্রম হবে , একথা কেন ভাবছেন ? না ভেবে থাকলে আপনার ই-কমার্স সাইটে একটা দ্রুততার সাথে কার্যকর সার্চ বক্স থাকা বাধ্যতামূলক যেন আপনার ক্রেতারা অল্প সময়ের মধ্যেই খুজে পায় ঠিক যে প্রডাক্টটা তারা খুঁজছে । আর একটা বিষয় আপনার সার্চ বক্সটা অবশ্যই সহজেই দেখা যায় এমন জায়গায় রাখতে হবে। মানে আপনার সাইটে একটা সার্চ বক্স আছে বটে তবে সেটাকে খুজে পেতেই কাস্টমারদের কে অন্য একটি সার্চ বক্স লাগবে , এমনটা হলে সার্চ বক্স রাখার উদেশ্য থেকে আপনি দূরে সরে গেলেন। আপনার সার্চ বক্সটি থাকা উচিত সাইটের উপরের দিকে যেন খুব সহজেই চোখে পরে।
দ্বিতীয় আরেকটি ব্যাপার হল, আপনার সার্চ অপসানটা যেন ঠিক ঠাক কাজ করে সেদিখে লক্ষ্য রাখতে হবে। মানে নিদিষ্ট কোন প্রডাক্ট সার্চ করলে আম জনতা টাইপের সব প্রডাক্ট নিয়ে যেন হাজির না হয় বরং সার্চ করা সেই প্রডাক্টই যেন আসে ।

৩। ফিচার প্রডাক্টঃ

আপনি আপনার সাইটের হোম পেজে বা পেজের যেকোন সাইডে ফিচার প্রডাক্ট নামে একটা অপসান রাখতে পারেন। এর মাধ্যমে আপনি আপনার টপ সেলিং প্রডাক্ট সম্পর্কে ক্রেতাকে জানাতে পারেন, কোন আকর্ষণীয় অফার দিতে পারেন অথবা সাধারন প্রডাক্ট ও সেখানে রাখতে পারেন যেগুলো কে আপনি পুশ করে সেল করতে চাচ্ছেন বা ভিজিটরদের নজরে আনতে চাচ্ছেন।

৪। রিলেটেড প্রডাক্টঃ

এটা একটা দারুন ফিচার যা দিয়ে আপনি আপনার ভিজিটরদের কে তারা যে প্রডাক্টটি দেখছে তার সাথে রিলেটেড কি কি প্রডাক্ট আছে তা বলতে পারেন। এটা অসাধারণ একটা আপসেলিং কোশল। আপনি এখানে এই চাতুরির সাথে এই লাইন টি ব্যাবহার করতে পারেন   “Customers Who Bought This Item Also Bought ”  এর মাধ্যমে আপনি ভিজিটরকে একই সাথে একাধিন পণ্য কিনতে উৎসাহিত করতে পারেন।

৫। নিঊজ লেটার সাবস্ক্রিপ্সানঃ

এই ফিচারের মাধ্যমে আপনি ভিজিটরদের কে তাদের ইমেইল ঠিকানা দিয়ে আপনার নতুন নতুন পণ্য বা সেবা বা কোন অফার সম্পর্কে জানাতে পারেন। এর মাধ্যমে আপনি একটা ইমেল লিস্ট ও বানাতে পারেন যা দিতে পরবর্তীতে আপনি ইমেইল মার্কেটিং করে আপনার পণ্য সেল করতে পারেন।

৬। প্রডাক্ট জুম করে দেখার অপসানঃ

আপনার সাইটে যদি একটা ভাল প্রডাক্ট জুম অপসান থাকে তাহলে সেটা আপনার জন্য হবে একটা প্লাস পয়েন্ট। কিছু কিছু সময় ক্রেতারা চান কেনার আগে পণ্যটা অনুভব করতে ,স্পর্শ করতে। কিন্তু অনলাইনে ত এর কোন সুযোগই নাই। আপনি এর বিকল্প হিসেবে খুব ভাল একটা জুম অপসান রাখতে পারেন যেন ক্রেতারা খুঁটিতে খুঁটিয়ে আপনার পণ্যটিকে কেনার আগে দেখে নিতে পারে। পণ্যের বিস্তারিত দেখার সুযোগ ভিজিটরদের কে ক্রেতা তে রূপান্তরিত করার একটি ভাল হাতিয়ার।

৭ । ক্যাটাগরি অপসানঃ

আপনার সব পণ্যের একটা ভাল করে গোছানো ক্যাটাগরি থাকা উচিত। আর ক্যাটাগরিতে যেন খুব সহজেই এক্সেস করা যায় সেদিকে ও নজর দিতে হবে। সেজন্য আপনি ক্যাটাগরিকে সাইটের উপরে বা যেকোণ একপাশে রাখতে পারেন।

৮। ন্যাভিগেশনঃ

সব সাইটের জন্যই ন্যাভিগেশন একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার।ই-কমার্সের জন্য এটা আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য খেয়াল রাখতে হবে আপনার ভিজিটররা যেন খুব সহজেই আপনার সাইটের বিভিন্ন সেকশানে এক্সেস করতে পারে তার সাথে সাথে যেন যেকোন সেকশান থেকে শপিং কার্টে এক্সেস করতে পারে।

৯। ভাল পেমেন্ট গেটওয়ে ও আইকোনঃ

আপনার সাইটে যদি ভাল একটা পেমেন্ট গেটওয়ে থাকে তাহলে সেটা আপনার ভিজিটরদের কে আশ্বস্ত এবং নিশ্চিন্ত করবে। ভিজিটররা সাছন্দ বোধ করবে এমনটা মাথায় রেখে পেমেন্ট গেটওয়ে মারচেন্ট নির্বাচন করতে হবে। আপনি পেমেন্ট এর জন্য হয়ত ব্যাবহার করেন,ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, গিফট ভাউচার, ক্যাশ অন ডেলিভারি অথবা পেপাল । ওসবের যেগুলোই আপনি ব্যবহার করেন না কেন ফুটারে তাদের স্পস্ট আইকোন থাকা উচিত।

১০। প্রাইভেসি পলিসিঃ

পরিষ্কার ভাবে সব কিছু উল্লেখ করে বানানো একটা প্রাইভেসি পলিসি সাইটের সাইটের ফুটারে রাখতে হবে।

১১। ভাল রিটার্ন পলিসিঃ

আপনার সাইটে যখন ভিজিটররা একটা ভাল রিটার্ন পলিসি দেখবে তখন তারা খুব স্বাভাবিক ভাবেই এটা ভেবে আশ্বস্ত বোধ করবে যে যদি কিছু ভুল-চুক হয় তবে ফেরত ত দেয়া যাচ্ছেই। আপনি হয়ত ভাবছেন ,রিটার্ন পলিসি আপনার জন্য জামেলার কারন হবে। কাস্টমাররা পণ্য কিনবে পণ্য ফেরত পাঠাবার জন্য। পুরোটাই ভুল ধারনা , আপনি যদি মুরগির নাম বলে কাচকি মাছ খাওয়ানোর চেষ্টা না করেন মানে আপনি যদি আপনার কথা ও কাজে সৎ থাকেন তাহলে ভাল একটা রিটার্ন পলিসি আপনার সেল আরো বাড়িয়ে দিবে নিশ্চিত থাকেন কেননা ক্রেতারা তখন নিজেকে অনেক বেশি সেফ মনে করবে।

১২। লগইন ও রেজিস্টেশনঃ

আপনার সাইটের ভিজিটরদেরকে রেজিস্টেশন করার অপসান দিন। যাতে করে তারা যখন পুনারায় ফিরে আসলে যেন আবার ও বিলিং ও পেমেন্ট ডিটেইল পুনরায় এন্ট্রি করা না লাগে। ভিজিটরদের কে দ্রুত চেক আউট এর অপসান দিন।

১৩। হাই কোয়ালিটি ইমেজঃ


আপনার সাইটে হাই কোয়ালিটি গ্রাফিক ব্যানার, ইমেজ ব্যবহার করুন। এতে করে ভিজিটরদের কে আকৃষ্ট করে সহজ হবে। সেলস প্রমোশান ও বিভিন্ন অফারের জন্য ও সুন্দর সুন্দর ব্যানার ব্যাবহার করুন যাতে করে সেগুলো দেখেই ভিজিটরের মনে ক্লিক করার ইচ্ছে হয়।

১৪। ডেলিভারি ইনফরমেশনঃ

পরিষ্কার ভাবে টাইম ফ্রেম উল্লেখ করে সব সময় আপনি কিভাবে আপনার পণ্যটি ডেলিভারি দিবেন তা উল্লেখ করুন এতে করে ক্রেতা ঠিক কখন তার কেনা পণ্যটা হাতে পাবে তার একটা ধারনা পাবেন।

১৫। নিউজ ও ইভেন্ট (ব্লগ)


এই সেকসানটির মাধ্যামে আপনি আপনার সাইটের পণ্য, পন্য সম্পর্কিত কোন খবরাখবর ,এবং কোন ইভেন্টের সম্পর্কে ক্রেতাকে জানাতে পারেন। একটা ব্লগিং প্লাটফর্ম ব্যাবহার করে আপনি খুব সহজেই এই কাজটি করতে পারেন। এই অংশটি আপনার ই-কমার্স সাইটটির এস ই ও (SEO) এর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ কেননা এটি আপনার সাইটটিকে র্যা ঙ্ক করাতে খুবই সাহায্য করবে।

১৬। কেন ক্রেতারা আপনার কাছ থেকে কিনবেন ?


যদিও বাংলাদেশে কমপিটিশান এখনও বহিবিশ্বের মত নয়। তারপর ও একথা বলাই যায় বাংলাদেশেও প্রতিজোগিতা এখন আগের তুলনায় বেশি এবং ক্রমেই তা বাড়ছে ও আরো বাড়বে। তাহলে একজন ক্রেতা অনলাইন আরও অনেক দোকানের মাজ থেকে আপনার স্টোর থেকে কেন পণ্য বা সেবা কিনবে। এ বিসয়টা ক্রেতাদের কাছে পরিষ্কার করতে হবে। এই রকম কিছু বার্তা আপনার সাইটে থাকতে হবে, সম্ভব হলে প্রমান সহ।
কিছু ইউনিক সেলিং পয়েন্ট হতে পারে এমনঃ
 ফ্রি ডেলিভারি
 পরের দিনই ডেলিভারি
 সুলভ মুল্য
 মার্কেট লিডার
 কাস্টমার সাপোর্ট হটলাইন
 নিরাপদ পেমেন্ট গেটওয়ে ।

১৭। কাস্টমার সাপোর্টঃ


কাস্টমাররা যারা অনলাইন থেকে কোন কিছু কিনবেন তারা অর্ডার করার সময় কোন প্রয়োজন হলে সাহায্য পাবেন এমনটা জানলে খুবই আশ্বস্ত হবেন এবং নিশিন্ত মনে কেনার সিদ্দান্ত নিয়ে অর্ডার করতে পারবেন।
তাই তাদের কে আশ্বস্ত করার জন্য কাস্টমার সাপোর্ট নাম্বার সহজেই খুজে পাওয়া যায় সাইটের এমন জায়গায় রাখতে হবে ।

১৮। ওয়েব সাইট নিরাপত্তাঃ

আপানর ই-কমার্স সাইট টিকে অবশ্যই নিরাপদ হতে হবে। ক্রেতারা তাদের ক্রেডিট কার্ড বা অন্যান্য ইলেকট্রনিক পেমেণ্ট ম্যাথড ব্যবহার করে পণ্য কিনবেন তাই সাইট নিরাপত্তা একটা বড় ইস্যু। ক্রেতা কোন কারনে আপনার সাইট নিরাপদ মনে না করলে সব কিছু অনেক বেশি ভাল বা কোয়ালিটি সম্পন্ন হলে ও ক্রেতারা কোন পণ্য না কিনে ফিরে যেতে পারে। আর একজন অসন্তুষ্ট ক্রেতা দ্বিতীয়বার ফিরে আসবে এটা ভাবার ও কোন কারন নাই। তাই আপনার সাইটে সঠিক নিরাপত্তা ব্যাবস্থা থাকতে হবে যেমনঃ এইচ টি টি পি এস (https) যা সাইট ব্রাউজ করার সময় কাস্টমারের কম্পিটারে ভাইরাস আক্রমণ প্রতিরোধ করবে। এটা আপনার সাইটে সাইবার এটাক হলে কাস্টমারের কোন তথ্য চুরি হবে না এমন নিশ্চয়টা দেয়।

১৯। সোশ্যাল মিডিয়া লিঙ্কঃ

এক গবেষণায় দেখা গেছে শতকরা কমপক্ষে ২০ ভাগ সেল আসে সোসাল মিডিয়া গুলো থেকে। আমরা সামাজিক জীব হওয়াতে । আমরা সব সময় জানতে চাই কোন একটা বিষয়ে অন্যদের কি ভাবছে। সেটা আপনার পণ্যের জন্য ও সত্য। ফেসবুক, গুগুল প্লাস, টুইটার হল জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়াম গুলর অন্যতম। এসব হল সেলফ প্রমোশানের দারুন কিছু মাধ্যাম। অনলাইন শপ গুলর জন্য তাদের
ক্রেতাদের কে পণ্য সংক্রান্ত খোজ খবর, বিশেষ অফার, স্পেশাল ডিল, বা প্রমোশান ইত্যাদি তথ্য প্রদান করে আপডেট রাখার সবচেয়ে ভাল উপায়। তাই আপনার সাইটে প্রধান প্রধান সব সোশ্যাল মিডিয়ার লিঙ্ক সহ আইকন থাকতে হবে।

২০। ট্রাষ্ট মার্কসঃ


ট্রাস্ট মার্কস হল ছোট ইমেজ বা লোগো যেগুলো ক্রেতাকে সাইট টি নিরাপদ বলে সাক্ষ্য দেয়। ট্রাস্ট মার্কস আসতে পারে নেটওয়ার্ক সলিউসান , McAfee, Verisign, BBB, TRUSTe, GeoTrust ইত্যাদি থেকে। এধরনের এক্রেডিটেশান সারটিফিকেট ক্রেতা কে এক ধরনের নিরাপত্তা বোধের অনুভুতি দেয় ফলে ক্রেতারা নিশিন্তে তাদের ব্যাক্তিগত তথ্য ও পেয়িং ডিটেইলস শেয়ার করে থাকে। এসব ট্রাস্ট মার্ক আইকন আপনি আপনার সাইটের ফুটারে প্রদর্শন করতে পারেন।
আপনার ই-কমার্স সাইট টিকে উপরের ফিচার গুলো সহ সাজিয়ে নিয়ে শুরু করে আপনার ব্যাবসায়কে নিয়ে যান আপনার কমপিটেটদের নাগালের বাইরে।
হ্যাপি ই-কমার্সিং :-D

পরবর্তী লেখাঃ

৩ টি উপায়, প্রডাক্ট পেইজ এস ই ও (SEO) অপ্টিমাইজ করার।
ফেসবুকে আমি । জানতে বা জানাতে যোগ দিতে পারেন ফেসবুক গ্রুপে (Online Content, Professional Blogging, e-marketing, SEO Group)

বাংলা কিওয়ার্ড রিসার্স করুন এখন সহজেই…!

এটা টেকটিউনস পরিবারে আমার প্রথম টিউন, কোনো ভুল হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার জন্য অনুরোধ করছি।
আমি একজন ফ্রীল্যান্সার হিসেবে মাসদুয়েক হল আমার ক্যারিয়ার শুরু করেছি। ওয়েব কন্টেন্ট লিখি। টুকটাক লেখালেখিটাই পারি, অন্য কোনো কাজ পারি না। তাই এটা দিয়ে ফ্রীল্যান্সিং শুরু করার সিদ্ধান্ত নিলাম। আমি বাংলাদেশী একজন ভাইয়ের অধীনে কাজ করছি; আসলে বলা চলে কাজ শিখছি! উনার বদন্যতায় এসইও সম্পর্কে সামান্যবিস্তর ধারণা পেতে শুরু করেছি। আমাকে উনি বাংলা ও ইংরেজি দু'ভাষাতেই ব্লগ লেখার জন্য হায়ার করেছেন।
যাই হোক, আমরা সবাই জানি ইংরেজিতে কিওয়ার্ড রিসার্চ করাটা অভিজ্ঞদের কাছে পানিভাত! আর রিসার্চ সংশ্লিষ্ট টুলগুলো এর কার্যকারীতা আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু বাংলায় কিওয়ার্ড রিসার্চের ব্যাপারটা মোটেই এমন নয়। আমার স্বল্পজ্ঞান ও পরিশ্রমের বদৌলতে দেখেছি এখানে রিসার্চ টুল তো দূরের কথা কিওয়ার্ড সার্চ করার জন্য সামান্যতম সাহায্য করতে কোনো সার্চ ইঞ্জিন প্রস্তুত নয়, এমনকি গুগলও! সার্চ ইঞ্জিনগুলোর এমন বিমাতাসুলভ আচরণের কারণে আমরা যারা টুকটাক বাংলা কিওয়ার্ড রিসার্চ করি, তাদের এক দীর্ঘ ও কষ্টকর প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। তখন বার বার মনে হতে থাকে, ইস্‌ সবগুলো কিওয়ার্ড যদি একজায়গায় পেতাম, কতই না ভালো হত!
অনেক ঘাঁটাঘাঁটির পরে এমন এক সাইটের সন্ধান পেলাম যারা বাংলায় কীওয়ার্ড রিসার্চ করার সুবিধা দেয়। আসলে এতদিন চোখের সামনেই ছিল, খুঁজে পাইনি! সাইটটির নাম হল - http://keywordtool.io
উপরোক্ত ঠিকানায় প্রবেশ করার পরে নিচের মত একটা ছবি আসবে, যেখানে ডিফল্ট 'ইংরেজি' সিলেক্ট করা থাকবে। চিন্তা নেই! ওই বক্সটিতে ক্লিক করুন -
তারপরে সেখান থেকে নিচের ছবির মত ড্র্যাগ করে আমাদের 'বাঙ্গালী' সিলেক্ট করুন এভাবে -
এখন আপনার প্রয়োজনীয় কিওয়ার্ড সামনের ফাঁকা বক্সটিতে টাইপ করুন, আর জাদু দেখুন! ধরুন, আমরা 'টেকটিউনস' কিওয়ার্ডটি সার্চ করছি, তাহলে ফলাফল আসবে নিন্মরূপ -
আর দেরি কেন, লেগে যান আপনার আকাঙ্ক্ষিত কিওয়ার্ড সার্চে! কষ্ট কমুক আপনার, খুঁজে পান আপনার কার্যকরি কিওয়ার্ডগুলো! শুভাকামনা রইলো! :-D